আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আবারও উৎসবের রঙে রাঙাল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। বিরাট কোহলির দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে গুজরাট টাইটান্সকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) শিরোপা জিতেছে বেঙ্গালুরু।
ফাইনালে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান সংগ্রহ করে গুজরাট টাইটান্স। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৮ ওভারেই ৫ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বেঙ্গালুরু।
ফাইনালের মতো বড় ম্যাচে গুজরাটকে ১৫৬ রানে আটকে রেখে বড় কাজটা করে রেখেছিলেন বেঙ্গালুরুর বোলাররাই। পরে কোহলি ব্যাট হাতে শিরোপা নিশ্চিত করেছেন দলের। ১৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন বিরাট কোহলি ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। দুজন মিলে উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ৪.৩ ওভারে ৬২ রান যোগ করে দলের ভিত গড়ে দেন। আয়ার ১৬ বলে ৩২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে বিদায় নিলেও অপর প্রান্তে অবিচল ছিলেন কোহলি।
তবে মাঝের ওভারগুলোতে কিছুটা চাপে পড়ে যায় বেঙ্গালুরু। দেবদূত পাডিক্কাল ১ রান, অধিনায়ক রজত পাতিদার ১৫ রান এবং ক্রুনাল পান্ডিয়া মাত্র ১ রান করে আউট হলে ৯১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে দলটি।
এমন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব তুলে নেন কোহলি। টিম ডেভিডকে সঙ্গে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৩৬ রানের জুটি গড়ে দলের জয়ের পথ সহজ করেন তিনি। ডেভিড ১৭ বলে ২৪ রান করে আউট হলেও শেষ পর্যন্ত জিতেশ শর্মাকে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন কোহলি। জিতেশ অপরাজিত থাকেন ১৪ বলে ১১ রান করে।
ম্যাচসেরা পারফরম্যান্স উপহার দেন কোহলি। ৪২ বলে অপরাজিত ৭৫ রানের ইনিংসে তিনি মারেন ৯টি চার ও ৩টি ছক্কা। বিশেষ করে ১৮তম ওভারের শেষ দুই বলে একটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে শিরোপা জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন ভারতীয় এই তারকা ব্যাটার।
এর আগে গুজরাট টাইটান্সের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন ওয়াশিংটন সুন্দর। এছাড়া নিশাত সিন্ধু ১৮ বলে ২০ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। তবে বেঙ্গালুরুর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি গুজরাট।






