
লাহোর, ৩০ জানুয়ারি – ২০১৮ সালের অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি জয়ের পর দীর্ঘ সাত বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে পাকিস্তানকে। অবশেষে সেই খরা কাটাল সালমান আলি আগার দল। বৃহস্পতিবার সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়াকে ২২ রানে হারিয়েছে স্বাগতিকরা।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের দেওয়া ১৬৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ট্রাভিস হেডের নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়া থামে ১৪৬ রানে। ব্যাটিং ব্যর্থতায় হার মানতে হয় সফরকারীদের।
এই সিরিজে বিশ্বকাপ স্কোয়াডের পাঁচজন খেলোয়াড়কে বিশ্রাম দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ম্যাচে ছিলেন না নিয়মিত অধিনায়ক মিচেল মার্শ ও জশ ইংলিসও। একাধিক তারকা ক্রিকেটারের অনুপস্থিতিতে অজিদের ব্যাটিং লাইনআপ ভেঙে পড়ে, যদিও বল হাতে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন অ্যাডাম জাম্পা ও জাভিয়ের বার্টলেট।
পাকিস্তানের জয়ের নায়ক সাইম আইয়ুব। ব্যাট হাতে ২২ বলে ৪০ রানের কার্যকর ইনিংসের সঙ্গে বল হাতে নেন ২ উইকেট। এই অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জেতেন তিনি। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানকে হারালেও, অধিনায়ক সালমান আলি আগার সঙ্গে ৭৪ রানের জুটি গড়ে ইনিংস সামাল দেন সাইম।
সাইম আউট হন ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪০ রান করে। সালমান করেন ২৭ বলে ৩৯ রান। এরপর বাবর আজম (২৪), ফখর জামান (১০), উসমান খান (১৮) ও মোহাম্মদ নেওয়াজ (১৫) ধীরগতির ব্যাটিং করলে বড় সংগ্রহ পায়নি পাকিস্তান। নির্ধারিত ২০ ওভারে তাদের রান দাঁড়ায় ৮ উইকেটে ১৬৮।
অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে অ্যাডাম জাম্পা ২৪ রানে ৪ উইকেট নেন। বার্টলেট ও মাহলি বেয়ার্ডম্যান শিকার করেন দুটি করে উইকেট।
জবাবে শুরুটা ভালো হলেও ইনিংস গড়াতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ট্রাভিস হেড ২৩ ও ক্যামেরন গ্রিন সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন। মাঝের সারিতে একের পর এক উইকেট হারানোয় লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি সফরকারীরা।
পাকিস্তানের হয়ে সাইম আইয়ুব ও আবরার আহমেদ নেন দুটি করে উইকেট। শাদাব খান ও মোহাম্মদ নেওয়াজ নেন একটি করে।
একই ভেন্যুতে আগামী ৩১ জানুয়ারি ও ১ ফেব্রুয়ারি সিরিজের দ্বিতীয় ও তৃতীয় টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে।
এনএন/ ৩০ জানুয়ারি ২০২৬







