এবার ছয়টি দল বিপিএলে অংশ নিচ্ছে। দলগুলো হল ঢাকা ক্যাপিটালস, রাজশাহী ওয়ারিয়রস, রংপুর রাইডার্স, সিলেট টাইটানস, নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম রয়ালস ।এবার দেশের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি উল্লেখ্য সংখ্যক বিদেশি খেলোয়াড় বিপিএল মতামত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

একাদশ বিপিএলের ফাইনাল শেষে বেশ কয়েকজন বিদেশি ক্রিকেটারের সঙ্গে কথা বলে রেখেছিলেন তামিম ইকবাল। ফরচুন বরিশালের সঙ্গে খেলার ব্যাপারে কাইল মায়ার্স, ডেভিড মালান, ফাহিম আশরাফরা প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। তামিমের বরিশাল এবার বিপিএলে না থাকলেও মায়ার্স, মালান, ফাহিমরা ঠিকই খেলবেন। রংপুর রাইডার্সে নাম লিখিয়েছেন তারা। বিদেশি ক্রিকেটার দলে নেওয়ায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্সও কম দক্ষতা দেখায়নি। পাকিস্তান ওয়ানডে ও টি২০ দলের তিনজন ক্রিকেটার নিয়েছে তারা। রাজশাহীর কোচ হান্নান সরকার জানান, লিগের মাঝে অন্তত দুজন আন্তর্জাতিক মানের বিদেশি যোগ দেবেন। সিলেট টাইটান্সে দেখা যেতে পারে ইংল্যান্ডের মঈন আলীকে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি তাদের ১০ ক্রিকেটারকে বিপিএলে খেলার ছাড়পত্র দেওয়ায় প্রথম থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট দেখা যেতে পারে।

রংপুর রাইডার্স ১০ জন বিদেশি ক্রিকেটার দলে নিয়েছে। এই বিদেশিদের লিগের প্রথম থেকে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী সহকারী কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল, ‘এবার অনেক বেশি বিদেশি খেলোয়াড় দলে নেওয়া হয়েছে এবং এই খেলোয়াড়রা লিগের পুরো সময় থাকবে। বেশি খেলোয়াড় নেওয়ার বড় কারণ হলো ম্যাচের দিন সকালে আসা ক্রিকেটারদের যেন খেলাতে না হয়। প্রতিটি ম্যাচ আমরা সেটেল দল নিয়ে খেলতে চাই। কারণ রংপুর বিগত তিন বিপিএলে চ্যাম্পিয়ন টিম বানিয়েও নকআউটে বাদ পড়েছে। আমরা এবার ধারাবাহিক ভালো খেলে জিততে চাই।’ আকিব জাভেদ, খুশদিল শাহ, ইফতেখার আহমেদকে নিয়ে বিদেশি শক্তিতে চ্যাম্পিয়নের মতো দল রংপুর রাইডার্স। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সে গতকাল যোগ হয়েছে নিউজিল্যান্ডের জেমস নিশাম। আইএল টি২০ শেষে আরও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার যোগ দেবে বলে জানান দলটির কোচ হান্নান, ‘আমি দল সাজানোর ক্ষেত্রে আগে বিদেশি সেট করেছি। কারণ দেশি ক্রিকেটারদের সঙ্গে বিদেশিদের সমন্বয়টা ভালো হওয়া জরুরি। সেদিক থেকে বলব, পাকিস্তানের বর্তমান দলের খেলোয়াড় পাওয়ায় খুবই ভালো হয়েছে।’ তবে হান্নানের চোখে দ্বাদশ বিপিএলের বড় দল রংপুর রাইডার্স। তিনি মনে করেন, বিদেশি ক্রিকেটার নেওয়ার দিক থেকে সাবেক চ্যাম্পিয়নরাই সেরা।

বিদেশি ক্রিকেটার নেওয়ার ক্ষেত্রে ঢাকা ক্যাপিটালস, নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও সিলেট টাইটান্স মোটামুটি একই মানের। এই দলগুলো সাবেক আন্তর্জাতিক ও উদীয়মান ক্রিকেটারদের ওপর আস্থা রেখেছে। ঢাকা নিয়েছে ইংলিশ ক্রিকেটার অ্যালেক্স হেলসকে, পাকিস্তানের ইমাদ ওয়াসিম, আফগানিস্তানের রহমতউল্লাহ গুরবাজের মতো টি২০-এর পরিচিত মুখ। খালেদ মাহমুদ সুজন নোয়াখালী এক্সপ্রেসে অভিজ্ঞদের পাশাপাশি তরুণ ক্রিকেটারে জোর দিয়েছেন। মোহাম্মদ নবি, জনসন চার্লসের সঙ্গে আইপিএল খেলা ইহসানউল্লাহ খান, পাকিস্তান জাতীয় দলের বিলাল সামিকে নিয়েছে। এ ছাড়া পাকিস্তান ‘এ’ দলের ‘মাজ সাদাকাতের মতো ক্রিকেটার-আছে। নোয়াখালীতে। তবে বিদেশি সংগ্রহে পিছিয়ে রয়েছে। চিটাগং রয়্যালস। এখন পর্যন্ত মাত্র দুজন বিদেশি ক্রিকেটার দলে নিয়েছে তারা।






