বিশ্বকাপ শুরুর বাকি আর মাত্র ৩ মাস। ব্রাজিল দল নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন নেইমার। বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচের সফরেও স্কোয়াডে জায়গা হয়নি নেইমারের। বিশ্বকাপেও তার দলে জায়গা পাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। নেইমারের এমন বাদ পড়া কিছুতেই মানতে পারছেন না সাবেক ব্রাজিল তারকা রোমারিও ও রোনালদোরা।
বিশ্বকাপ সামনে রেখে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী বৃহস্পতিবার রাতে ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। ১ এপ্রিল বাংলাদেশ সময় ভোরে দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার মুখোমুখি হবে কার্লো আনচেলত্তির দল। এই দুই ম্যাচের জন্য ঘোষিত দলে জায়গা হয়নি নেইমারের।
২০২৩ সালের শেষ দিকে হাঁটুর মারাত্মক চোটের পর থেকে জাতীয় দলে আর ডাক পাননি ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা। আনচেলত্তি স্পষ্টতই খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফিটনেস এবং নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের ওপর জোর দিচ্ছেন। কিন্তু রোমারিওর সোজা কথা—আনচেলত্তি বড্ড আগেভাগেই দলের সবচেয়ে ধারালো অস্ত্রটা ছুড়ে ফেলছেন।
ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘জার্নাল ও দিয়া’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোমারিও যা বলেছেন তার সারমর্ম হচ্ছে, প্রতিভার কদর সবার আগে হওয়া উচিত। তাঁর কথা, ‘একজন তারকাকে খেলতেই হবে। জাতীয় দল হলো সেরাদের জায়গা। বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য এক মাস সময় পাওয়া যায়, যা একজন অ্যাথলেটের ফিটনেস ফিরে পাওয়ার জন্য যথেষ্ট। সবাই জানে, তবু বারবার বলতে হয়—শতভাগ ফিট না থাকলেও নেইমারের মতো একজন তারকা দলে থাকা অন্য যেকোনো খেলোয়াড়ের চেয়ে অনেক ভালো।’
রোমারিও আরও বলেছেন, ‘প্রতিভা নষ্ট করা যাবে না। কোনো কোচই প্রতিভা ছাড়া দল চালাতে পারবেন না। আমি আশা করি, নেইমার ব্রাজিলিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে প্রমাণ করবে যে সে চূড়ান্ত দলে থাকার যোগ্য এবং ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জেতার লড়াইয়ে অংশ নেবে।’ পাশাপাশি রোমারিও এটাও জানিয়ে রাখলেন, ‘নেইমার গেলে আমি খুশি। কিন্তু না গেলেও ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন দেখা থামাব না।’
রোমারিওর সুরে সুর মিলিয়েছেন ‘দ্য ফেনোমেনন’ রোনালদোও ‘১২৮ আন্তর্জাতিক ম্যাচে ৭৯ গোল করা নেইমারকে পরীক্ষা করার কিছু নেই। সে শারীরিকভাবে ফিট থাকলে আমি তাকে বিশ্বকাপে নিতাম। আমি আশা করি সে ফিট থাকবে। আনচেলত্তিও তাকে নেবেন, আমি নিশ্চিত। সে সব ম্যাচ না–ও খেলতে পারে, কিন্তু সে যেখানেই গেছে, নিজেকে প্রমাণ করেছে। ইদানীং চোটে ভুগেছে, কিন্তু তাকে বিশ্বকাপে নিতে হলে নতুন করে যাচাই করার দরকার নেই।’







