ইংল্যান্ডের মাটিতে অনুষ্ঠেয় নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দেশ ছেড়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। রোববার দিবাগত রাতে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা দেন দলের প্রথম বহরের ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফরা। প্রথম ধাপে ১৩ সদস্যের বহর ইংল্যান্ডে গেছেন। বাকিরা দেশ ছেড়েছেন আজ।
বিশ্বকাপের আগে স্কটল্যান্ডে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সেখানে স্বাগতিক স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে মাঠে নামবে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। এই সিরিজকে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
দেশ ছাড়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি জানিয়েছেন, শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্ট তারা। জ্যোতি বলেন, ‘আমাদের শেষ পর্যায়ের যে প্রস্তুতিটা হয়েছে, মিরপুরে। প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি, ভালো অনুশীলন হয়েছে, এগুলো আমাদের জন্য ভালোই ইমপ্যাক্টফুল ছিল আমি বলব। শ্রীলঙ্কা সিরিজের প্রস্তুতিতে আমাদের ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি দুই ফরম্যাট মাথায় রেখেই প্রস্তুতি নিতে হয়েছে। সেই সিরিজে ফল আমাদের পক্ষে না আসলেও কিছু প্লেয়ারের ভালো পারফরম্যান্স ছিল। যেগুলো দলকে অনেক বেশি বুস্ট আপ করেছে।’
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অতীত পরিসংখ্যান খুব একটা উজ্জ্বল নয়। এখন পর্যন্ত ২৫ ম্যাচ খেলে মাত্র তিনটি জয় পেয়েছে দল। তবে এবার সেই ইতিহাস বদলানোর লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে চায় টাইগ্রেসরা।
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডস। কঠিন গ্রুপ হলেও নির্দিষ্ট কিছু ম্যাচে জয়ের ভালো সম্ভাবনা দেখছেন অধিনায়ক। জ্যোতির বিশ্বাস, নেদারল্যান্ডস ও পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় পাওয়ার বড় সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের। পাশাপাশি ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও অতীতে জয়ের অভিজ্ঞতা আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে দলকে।
জ্যোতি বলেন, ‘আমাদের দুটি ম্যাচে জেতার অনেক বড় সুযোগ থাকবে, একটা হচ্ছে নেদারল্যান্ডস ও পাকিস্তান। দ্বিতীয়ত ভারতের সঙ্গে আমাদের খেলার অভিজ্ঞতা আছে। ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে আমাদের ম্যাচ জেতার অভিজ্ঞতা আছে। আমরা প্রতিটি ম্যাচ ধরে এগোতে চাই। শুরুটা যদি ভালো পাই, ছন্দ পেলে সেটা বাকি টুর্নামেন্টে সাহায্য করবে।’
স্কটল্যান্ডের ত্রিদেশীয় সিরিজকে বিশ্বকাপের আগে নিজেদের শক্তি ও দুর্বলতা যাচাইয়ের বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন অধিনায়ক জ্যোতি। তার মতে, এই সিরিজ থেকেই বোঝা যাবে দল কতটা প্রস্তুত এবং বিশ্বকাপে কীভাবে ম্যাচ জেতার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব।







