আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে নকআউট পর্ব তারা নিশ্চিত করেছিল আগেই। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই রাউন্ড অব ৩২ এ যাচ্ছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, সেটাও জানা ছিল। জর্ডানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে তাই ৯ পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছিল স্কালোনির দল। বদলি হিসেবে মাঠে নামা মেসির জাদুকরী ফ্রি কিক গোলে দ্বিতীয় সারির দল নিয়েও জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে অপরাজিত থেকে পরের রাউন্ডে আর্জেন্টিনা।
নকআউট নিশ্চিত থাকায় অচেনা একাদশ নিয়ে মাঠে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। ম্যাচের শুরু থেকেই অবশ্য ছিল তাদেরই দাপট। শুরুতে গোল পেলেও অফসাইডে বাতিল হয় লাউতারোর গোল।
১৯ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে ফ্রি কিক পায় আর্জেন্টিনা। সেখান থেকে গোল করেন তারকা ফুটবলার জিওভানি লো সেলসো। ৩১ মিনিটে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। পেনাল্টি থেকে গোল পান লাউতারো। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্কালোনির দল।
বিরতির পর ৫৫ মিনিটে আর্জেন্টিনাকে চমকে দিয়ে গোল করে জর্ডান। তামারির গোলে ম্যাচে ফেরার সুযোগ তৈরি হয় এশিয়ার দেশটির।
এর পরপরই মাঠে নামেন মেসি। নেমেই দেখান পায়ের জাদু। ফ্রি কিক থেকে ৮০তম মিনিটে চোখ ধাঁধানো এক গোলে ব্যবধান বাড়ান। বিশ্বকাপে টানা ৭ ম্যাচে গোল করা প্রথম ফুটবলার হলেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয় নিয়ে অপরাজিত থেকে পরের রাউন্ডে গেল আর্জেন্টিনা। গ্রুপের অন্য ম্যাচে ৩-৩ ব্যবধানে ড্র করে পরের রাউন্ড নিশ্চিত করল আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়া। এতে কপাল পুড়ল ইরানের।






