
মিরপুর, ১৭ ফেব্রুয়ারি – মিরপুর পল্লবীতে অবস্থিত আমিনুল হকের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক কার্যালয় তখন লোকে লোকারণ্য। সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন সদ্য শপথ নেওয়া যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের জন্য। জাতীয় সংসদ ভবন প্লাজা থেকে শপথ গ্রহণ শেষে রাত সাড়ে সাতটার পর তিনি পল্লবীতে এসে পৌঁছান।
নিজ কার্যালয়ে প্রবেশ করেই চিরচেনা ভঙ্গিতে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে করমর্দন ও কুশল বিনিময় করেন তিনি। হাসতে হাসতে তিনি জানিয়ে দেন, তিনি আগের সেই আমিনুলই আছেন এবং ভবিষ্যতেও তেমনই থাকবেন।
সংবাদ সম্মেলনের জন্য নির্ধারিত স্থানটি তখন সংবাদকর্মীদের ভিড়ে পরিপূর্ণ। ভিড়ের মাঝে পেছনে বসে থাকা এক সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিককে দেখতে পেয়ে তাকে সামনে ডেকে নিয়ে বসান তিনি। প্রায় দশ মিনিটের মতো সময় নিয়ে নিজের দল এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন নতুন প্রতিমন্ত্রী।
এরপর শুরু হয় প্রশ্নোত্তর পর্ব, যা প্রায় বিশ মিনিট ধরে চলে। দীর্ঘ সময় ধরে কথা বললেও তার মাঝে ক্লান্তির কোনো ছাপ দেখা যায়নি, বরং সাবলীলভাবে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।
আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন শেষ হওয়ার পরও তাকে ঘিরে ছিল সাংবাদিকদের জটলা। সেখানে বিচ্ছিন্নভাবে অভিনন্দন ও নানা প্রশ্নের ভিড়ে তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন, মন্ত্রী হওয়ার পরও তিনি সাধারণ মানুষের সেই আমিনুলই থাকবেন।
সকলের পরামর্শ ও সহযোগিতা নিয়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গন এবং দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলন শেষে কার্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় প্রবল জনস্রোতের মুখে পড়েন আমিনুল হক। মিরপুর ও পল্লবী এলাকার সাধারণ মানুষ এবং ক্রীড়াঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তাকে শুভেচ্ছা জানাতে ভিড় করেছিলেন।
এমন পরিস্থিতিতে দোতলা থেকে মাইকে সকলের উদ্দেশ্যে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এলাকাবাসীর ভালোবাসা তিনি গ্রহণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তাকে যে গুরুদায়িত্ব দিয়েছেন, তা যথাযথভাবে পালন করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং জানান যে তার দরজা সাধারণ মানুষের জন্য সর্বদা উন্মুক্ত থাকবে।
এনএন/ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬









