একসময় এই মঞ্চ থেকেই জাতীয় দলের দরজা খুলেছিল ইবাদত হোসেনের জন্য। রুবেল হোসেন, শফিউল ইসলামের মতো পেসাররাও উঠে এসেছেন প্রতিভা খুঁজে বের করার এই প্লাটফর্মের মাধ্যমে। কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর সেই কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সিলেটে আজ থেকে শুরু হয়েছে নতুন করে শুরু হওয়া এই বোলার হান্ট। পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত হবে এই আয়োজন।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী দিনে তরুণ বোলারদের পর্যবেক্ষণ করেন বিসিবির কোচরা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার তাইজুল ইসলাম ও এবাদত হোসেন। নিজেদের অভিজ্ঞতা থেকে দুজনই এমন উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
এমন উদ্যোগ আবারও ফিরিয়ে আনার জন্য বিসিবিকে ধন্যবাদ দিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। বলেছেন, ‘এটা অবশ্যই প্রশংসনীয় উদ্যোগ, বিসিবিকে ধন্যবাদ। দেখবেন একটা বিষয় যে শহরের বাইরে যারা গ্রামে থাকে, তারা কিন্তু সব ভালো সুবিধা পায় না। যে কারণে কোথায় প্রতিভা লুকিয়ে আছে কেউ কিন্তু জানে না। এটা রবি এবং বিসিবির খুবই ভালো উদ্যোগ।’
আগে শুধুমাত্র পেসারদের খুঁজে বের করার জন্য পেসার হান্টের আয়োজন করা হতো কিন্তু এখন পেসার, স্পিনার দুই ধরনের সম্ভবনাময় বোলারকেই খুঁজে বের করার জন্য বোলার হান্টের আয়োজন করা হচ্ছে। তাতে পুরুষদের সঙ্গে নারী ক্রিকেটারদেরও অংশ নেওয়ার সুযোগ আছে। ১৬ থেকে ২৫ বছর বয়সী ক্রিকেটাররা অংশ নিতে পারবেন এই আয়োজনে।
ধাপে ধাপে দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে হবে এই বাছাই। ঢাকায় রাখা হয়েছে দুটি ট্রায়াল পর্ব। সারাদেশে সম্ভবনাময় বোলারদের নিয়ে ঢাকায় হবে ক্যাম্প।
২০১৬ সালে এমন একটা উদ্যোগ থেকেই উঠে এসেছেন ইবাদত হোসেন। আজ সিলেটে বোলার হান্টের কার্যক্রমে উপস্থিত থেকে সেই কথাই স্মরণ করলেন ইবাদত। তিনি বলেন, ‘২০১৬ সালের রবি পেসার হান্টের মাধ্যমেই আমি এবাদত হোসেন হয়েছিলাম। সেখানে এক নম্বর বোলার হয়েছিলাম। আজকে এত বছর পরে আবার সেই দিনে ফিরে এসেছি, ভালো লাগছে।’






