
নয়াদিল্লি, ০৩ ফেব্রুয়ারি – আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ভারতের সঙ্গে ম্যাচ বয়কট করার পাকিস্তানের সিদ্ধান্তকে তীব্র সমালোচনা করেছেন সাবেক ভারতীয় স্পিনার হরভজন সিং। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সংহতির আড়ালে এটি মূলত একটি রাজনৈতিক নাটক, যার উদ্দেশ্য মানুষকে বিভ্রান্ত করা। হরভজন পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এবং উদ্দেশ্য উভয়কেই প্রশ্ন করেছেন। তিনি শেষ মুহূর্তে নিজের অবস্থান পরিবর্তনের পাকিস্তানের স্বভাবের বদলে, নিজেদের অবস্থানে অটল থাকার চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে কথা বলার সময় হরভজন বলেন, পাকিস্তানের এমন সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো যুক্তি নেই। নীতিগত অবস্থানের চেয়ে গোলমাল তৈরি করতেই তারা এই ঘোষণা দিয়েছে। তার মতে, পাকিস্তান যদি সত্যিই তাদের কাজের প্রতি বিশ্বাস রাখে, তবে ইউ-টার্ন না নিয়ে পরিণতি ভোগের জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত।
উর্দু প্রবাদ ব্যবহার করে তিনি বলেন, ‘বেগানি শাদি মে আব্দুল্লাহ দিওয়ানা (পরের বিয়েতে আব্দুল্লাহ পাগল)। পাকিস্তান সরকার বলেছে তাদের দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে, কিন্তু ভারতের বিপক্ষে খেলবে না। এর কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। এটি সেই একই পাকিস্তান সরকার এবং পিসিবি যারা পরে বলবে বিবাদ আসলে বাংলাদেশের কারণে হয়েছিল, আইসিসি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, আর আমরা খেলার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। এটি মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ নাটক ছাড়া কিছু নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ থেকে কী সুবিধা হবে? এটি শুধু অহংকার দেখানোর জন্য।’ হরভজন আরও বলেন, ‘যদি সত্যিই মনে করেন এটা করতে পারবেন, তবে নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকুন। দেখা যাক আসলেই সেই সাহস আছে কি না। বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোতে কোনো সমস্যা নেই, কিন্তু আপনার দেশের সেই মানুষদের কী হবে যারা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখার আশা করেছিল?’
শেষে তিনি বলেন, ‘ম্যাচটি একটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে হওয়ার কথা ছিল এবং কোনো বিরোধ ছিল না। সম্প্রতি যুদ্ধের সময়ও এশিয়া কাপ হয়েছে। ট্রফি নিয়ে নাটক হয়েছিল, কিন্তু ম্যাচগুলো ঠিকঠাক হয়েছে কারণ রাজস্ব হাতছাড়া করতে চাওয়া হয়নি।’ একই সঙ্গে পাকিস্তানকে প্রশ্ন করেছেন, ‘এই হঠাৎ জেগে ওঠা দেশপ্রেম আগে কোথায় ছিল?’
এনএন/ ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬






