নাহিদ রানার গতির ঝড়ে ১১৪ রানে অলআউট পাকিস্তান

নাহিদ রানার গতির ঝড়ে ১১৪ রানে অলআউট পাকিস্তান

বোলিং করতে এসে প্রথম ওভারেই পেলেন উইকেট। নাহিদ রানার গতির সেই ঝড় অব্যাহত থাকল টানা সাত ওভার। টানা সাত ওভারের এক স্পেল করে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ স্রেফ কাঁপিয়ে দিয়েছেন নাহিদ। বাংলাদেশের তরুণ গতিময় পেসারের দুর্দান্ত বোলিংয়ে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে অল্পতেই গুটিয়ে গেছে পাকিস্তান।

মিরপুরে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে ১১৪ রানে গুটিয়ে গেছে পাকিস্তান। নাহিদ রানা টানা ৭ ওভার বোলিং করে ২৪ রান খরচায় নিয়েছেন ৫ উইকেট। ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ওয়ানডে খেলতে নেমে প্রথম পাঁচ উইকেটের দেখা পেলেন নাহিদ। এছাড়া ৩টি উইকেট পেয়েছেন মেহেদি হাসান মিরাজ।

বুধবার (১১ মার্চ) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। আগের দিন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ বলেছিলেন, মিরপুরে ট্রু পিচ চান। আজ দেখাও গেল তেমনটা। উইকেট দেখে মনে হচ্ছিল রানের উইকেট। কিন্তু নাহিদ রানার পেসে রানের পিচেও দিশেহারা পাকিস্তান!

বেশ কয়েকজন তারকা ক্রিকেটারকে বাহিরে রেখে নতুন কয়েকজনকে নিয়ে বাংলাদেশ সফরে এসেছে পাকিস্তান। বাবর আজম, শাদাব খান, মোহাম্মদ হারিস, ফখর জামানদের রাখা হয়নি দলে। তাদের অনুপস্থিতিতে আজ পাকিস্তানের হয়ে অভিষেক হয়েছে চার জনের। তারুণ্য নির্ভর পাকিস্তান খাবি খেয়েছে বাংলাদেশি বোলিং আক্রমণের সামনে।

আগে বোলিং করতে নেমে শুরুটা অবশ্য স্বস্তির ছিল না বাংলাদেশের। পাকিস্তানের তুই ওপেনার প্রথম উইকেট জুটিতে তোলেন ৪১ রান। দশম ওভারে প্রথমবার বোলিং করতে আসেন নাহিদ রানা। সেই থেকেই পাকিস্তানি ব্যাটারদের নাচিয়েছেন বাংলাদেশের দীর্ঘদেহী পেসার।

পাকিস্তানের প্রথম পাঁচ উইকেটের পাঁচটিই নেন নাহিদ। একে একে ফেরান শাহিবজাদা ফারহান, মাজ সাদাকাত, শামিল হোসেন, মোহাম্মদ রিজওয়ান, সালমান আলি আগাকে। সঙ্গে মেহেদি হাসান মিরাজও ভালো বোলিং করেছেন। তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমানও তাতে যোগ দিলেন।

সব মিলিয়ে ৩০.৪ ওভারে ১১৪ রানে গুটিয়ে গেছে পাকিস্তান। আট নম্বরে নেমে ৩৭ রান করা ফাহিম আশরাফিই পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ স্কোরার। ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান করেছেন ২৭ রান।

OR

Scroll to Top