বাংলাদেশের পেস বোলিং ডিপার্টমেন্ট নিয়ে চারদিকে কথা হচ্ছে অনেকদিন ধরেই। বল হাতে বারবারই ঝলক দেখাচ্ছেন বাংলাদেশের পেসাররা। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে আজ বাংলাদেশকে জেতালেন পেস বোলিং ডিপার্টমেন্ট!
মোস্তাফিজুর রহমান ইনজুরি থেকে ফিরে একাই নিয়েছেন পাঁচ উইকেট। বল হাতে দাপট দেখিয়েছেন নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলামও। যাতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে বড় ব্যবধানে জিতেছে বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরিতে আগে ব্যাট করে ২৬৫ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। মোস্তাফিজ-নাহিদ রানাদের দাপটে পরে কিউইরা গুটিয়ে গেছে ২১০ রানে। যাতে ৫৫ রানে ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ।
এই জয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটা ২-১ ব্যবধানে জিতল বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে আইসিসির র্যাংকিংয়েও গুরুত্বপূর্ণ রেটিং পয়েন্ট বড়িয়ে নিল টাইগাররা।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ জয়ের সুবাস পাচ্ছিলেন অনেক আগেই। ১৬০ রানে নবম উইকেট হারিয়ে ফেলে নিউজিল্যান্ড। কিন্তু শেষ দিকে ডিন ফক্সক্রফট ৭২ বলে ৭৫ রানের দারুণ একটা ইনিংস খেলে বাংলাদেশের জয় বিলম্বিত করেছেন কিছুটা।
চোট ফেরত মোস্তাফিজুর রহমান আজ বল হাতে আগুন ঝড়িয়েছেন। চোটের কারণে সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডে খেলতে পারেননি। আজ ফিরেই দাপট দেখিয়েছেন। কিউইদের দলীয় রান যখন ৮ তখন মোস্তাফিজের প্রথম আঘাত। ফেরান হেনরি নিকোলাসকে।
এরপর উইল ইয়ংকে নিয়ে কিউইদের টানছিলেন নিক কেলি। ১৯ রান করা ইয়ংকে ফিরিয়ে এই জুটি অবশ্য বড় হতে দেননি নাহিদ রানা। ৮০ বলে ৬টি চার ১টি ছয়ে ৫৯ রান করা কেলিকে ফিরিয়েছেন মোস্তাফিজু রহমান। এরপর থেকে নিয়মিতই উইকেট হারিয়েছে সফরকারীরা।
শেষ দিকে ৭২ বলে ৭৫ রান করার পথে ফক্সক্রফট ছক্কা হাঁকিয়েছেন ৭টি। ৪৪.৫ ওভারে ২১০ রানে থেমেছে নিউজিল্যান্ড।
বাংলাদেশের পক্ষে মোস্তাফিজুর রহমান ৯ ওভার বোলিং করে ২ মেডেনে ৪৩ রান খরচায় নিয়েছেন ৫ উইকেট। নাহিদ রানা ১০ ওভারে ১ মেডেনে ৩৭ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। মেহেদি হাসান মিরাজ ৩৬ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট।
এর আগে নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি আর লিটন দাসের ফিফটিতে ২৬৫ রান তোলে বাংলাদেশ।







