
মায়ামি, ১০ জুলাই – নরওয়ে ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার আসন্ন বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ের পাশাপাশি এই ফরোয়ার্ড তার ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো নিজের জন্মভূমির মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।
২৫ বছর আগে ইংল্যান্ডে জন্ম নিলেও হালান্ড নরওয়ের জার্সি গায়ে ফুটবল মাঠে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
হালান্ডের জন্মের সময় তার বাবা আলফ-ইঙ্গে হালান্ড প্রিমিয়ার লিগে লিডস ইউনাইটেডের হয়ে খেলতেন। জন্মসূত্রে তার ইংল্যান্ডের জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ ছিল। তবে তিনি শেষ পর্যন্ত নরওয়েকেই বেছে নেন।
এক সাক্ষাৎকারে এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে হালান্ড জানান যে তিনি প্রায় চার বছর ইংল্যান্ডে থাকলেও জীবনের অধিকাংশ সময় নরওয়েতে কাটিয়েছেন। তাই নরওয়ের হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া তার জন্য স্বাভাবিক ছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে নরওয়েজিয়ান হিসেবে তিনি অত্যন্ত গর্বিত।
হালান্ডের বাবা আলফ-ইঙ্গে নিজেও নরওয়ের হয়ে বিশ্বকাপে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৯৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে তিনি জাতীয় দলের স্কোয়াডে ছিলেন। ঠিক ২৮ বছর পর একই দেশে নিজের প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে নেমে আর্লিং হালান্ড ইতিমধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। চলতি আসরে চার ম্যাচে তিনি সাতটি গোল করেছেন।
আগামীকাল বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে একে অপরের মুখোমুখি হবে। এই ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলার সুবাদে নিজের ক্লাব সতীর্থদেরও প্রতিপক্ষ হিসেবে পাবেন হালান্ড।
সেমিফাইনালের টিকিট পাওয়ার লড়াইয়ে কার জয় হয় তা দেখতে মুখিয়ে আছে ফুটবল বিশ্ব।
এনএন/ ১০ জুলাই ২০২৬









