
ঢাকা, ২২ আগস্ট – জাতীয় দলের ফুটবলার আল আমিন ফিফার পক্ষ থেকে ১৫ ম্যাচের বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছেন। বাংলাদেশের ফুটবলের প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক সময়ে কোনো খেলোয়াড়ের ওপর এমন কঠোর শাস্তির নজির নেই। আগস্টের শুরুতে ফিফা এই সিদ্ধান্তের কথা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে জানালেও আল আমিন বিষয়টি জানতে পারেন সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে।
শাস্তি সম্পর্কে অবহিত করতে বিলম্ব হওয়ার ঘটনায় বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের জেরা করেছেন। জেরা চলাকালে কর্মকর্তারা একে অপরের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করেন।
বছরে জাতীয় দল সাধারণত সাত থেকে আটটি ম্যাচ খেলে থাকে। সেই হিসেবে ১৫ ম্যাচের এই নিষেধাজ্ঞা আল আমিনের পেশাদার ক্যারিয়ারের জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি আল আমিন ও মিরাজের ওপর আর্থিক জরিমানাও আরোপ করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করতে সাধারণ সম্পাদককে নির্দেশনা দিয়েছে বাফুফে।
বাফুফের গঠনতন্ত্র সংস্কারের বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন। দেড় বছর আগে কমিটি গঠন করা হলেও খসড়া গঠনতন্ত্রটি বর্তমানে ফিফার ফিডব্যাকের অপেক্ষায় রয়েছে। ফিফা থেকে নির্দেশনা পাওয়া মাত্রই জরুরি সভা ডেকে তা অনুমোদনের ব্যবস্থা করা হবে এবং পরবর্তীতে বার্ষিক সাধারণ সভায় চূড়ান্ত হবে।
বাফুফের বার্ষিক সাধারণ সভা বা এজিএম আয়োজনের ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হিসেবে দাঁড়িয়েছে অডিট রিপোর্ট। আর্থিক অডিট সম্পন্ন না হওয়ায় সভার তারিখ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া আগামী আগস্টে এশিয়ান কাপের প্রস্তুতির জন্য জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সেপ্টেম্বরের উইন্ডোর আগে ক্লাবগুলো খেলোয়াড় ছাড়বে কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। দলবদল প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর এই বিষয়ে ক্লাব প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা জানিয়েছেন তাবিথ আউয়াল।
আজকের সভায় জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি ইমরুল হাসান অনুপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে মোহামেডানের গোলরক্ষক কোচ ছাইদ হাসান কানন ডাগ আউটে থাকার আবেদন জানালে সভাপতি বিষয়টি পরবর্তী সভায় এজেন্ডা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলেন।
এনএন/ ২২ আগস্ট ২০২৬



