বাংলাদেশ সিরিজ নিয়ে রোমাঞ্চিত হ্যাজলউড

বাংলাদেশ সিরিজ নিয়ে রোমাঞ্চিত হ্যাজলউড

বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজকে নতুন অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছেন অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ পেসার জশ হ্যাজলউড। প্রতিপক্ষ সম্পর্কে সীমিত ধারণা এবং ডারউইনের অপরিচিত কন্ডিশন—দুই মিলিয়ে এই সিরিজকে ‘রোমাঞ্চকর’ বলেই মনে করছেন তিনি।

আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনের মারারা ওভালে শুরু হবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। দীর্ঘ ২২ বছর পর এই ভেন্যুতে টেস্ট আয়োজন করছে অস্ট্রেলিয়া। ফলে স্বাগতিকদের কাছেও মাঠের আচরণ পুরোপুরি পরিচিত নয়।

বাংলাদেশের বিপক্ষেও খুব বেশি খেলার অভিজ্ঞতা নেই হ্যাজলউডের। ২০১৭ সালের বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজে তিনি ছিলেন না। গত জুনে বাংলাদেশের সফরেও খেলেননি এই ডানহাতি পেসার। ১৫ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে বাংলাদেশের বিপক্ষে তাঁর ম্যাচসংখ্যা হাতে গোনা।

এ কারণে বাংলাদেশের ব্যাটারদের বিপক্ষে বিস্তারিত তথ্য খুব বেশি নেই বলে স্বীকার করেছেন হ্যাজলউড। তবে এটিকে দুর্বলতা নয়, বরং ম্যাচের ভেতর পরিস্থিতি বুঝে পরিকল্পনা সাজানোর একটি সুযোগ হিসেবেই দেখছেন তিনি।

হ্যাজলউড বলেন, ‘শুরুতে অনেক কিছুই অজানা থাকবে। মাঠ অজানা, বিশেষ করে উইকেট অজানা, আর এই কন্ডিশনে প্রতিপক্ষও আমাদের কাছে কিছুটা অচেনা। তবে আমার মনে হয়, বিষয়টি রোমাঞ্চকর। এই ব্যাটারদের বিপক্ষে কিছু ভিডিও আছে, কিছু প্রবণতাও খুঁজে বের করা সম্ভব। তবে মাঠে পরিস্থিতি বুঝে তখনই পরিকল্পনা তৈরি করতে হতে পারে। আর এটাই সব সময় সতেজ অনুভূতি দেয়।’

হ্যাজলউডের যোগ করেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটে পরিকল্পনাটা বেশ সহজ। আসল বিষয় হলো সেটি দীর্ঘ সময় ধরে নিখুঁতভাবে বাস্তবায়ন করা। ম্যাচ যত এগোয়, পরিস্থিতি অনুযায়ী কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে। মাঠেই মানিয়ে নেওয়ার যথেষ্ট সময় থাকে।’

এদিকে, ডারউইনের উইকেট নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন সাবেক অস্ট্রেলিয়ান পেসার কেইন রিচার্ডসন। তাঁর ধারণা, মারারা ওভালের উইকেট পার্থ বা ব্রিসবেনের মতো গতিময় হবে না। বরং শুষ্ক আবহাওয়া ও নিচু বাউন্সের কারণে এটি তুলনামূলক ধীরগতির হতে পারে।

রিচার্ডসন বলেন, ‘আমি মনে করি না, এটি এমন কোনো আদর্শ অস্ট্রেলিয়ান টেস্ট উইকেট হবে, যেখানে পেসাররা সিম মুভমেন্ট, সুইং ও বাউন্স থেকে দারুণ সুবিধা পাবে। বরং নিচু বাউন্সের কারণে কন্ডিশনটা বাংলাদেশের মতো হতে পারে।’

OR

Scroll to Top